রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ৯:৪৭
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

স্বর্ণ আমদানির ডিলারশিপ লাইসেন্স পেল ১৮ প্রতিষ্ঠান

ডেক্সরিপোর্ট স্বর্ণ আমদানির ডিলারশিপ লাইসেন্স পেল একটি ব্যাংকসহ ১৮ প্রতিষ্ঠান। সাময়িকভাবে দুই বছরের জন্য এই লাইসেন্স দেয়া হয়েছে।

রোববার প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের হাতে ডিলারশিপ অনুমোদনের কপি হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম প্রকাশ করতে রাজি হয়নি বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, মোট ১৮ প্রতিষ্ঠান স্বর্ণ আমদানির ডিলারশিপ লাইসেন্স পেয়েছে। তবে কারা স্বর্ণ আমদানির লাইসেন্স পেল সেটি এখনই বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশ করতে চাচ্ছে না।

জানা যায়, স্বর্ণ আমদানির লাইসেন্স পাওয়া প্রতিষ্ঠানের তালিকায় আছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড।

দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, আমি বিকালে এটা গ্রহণ করেছি। স্বর্ণ আমদানির লাইসেন্সধারীদের নাম জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ তালিকা আমাদের কাছে এখনও সরবরাহ করা হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, এটা বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সবাইকে জানানো হবে। তখন আমাদেরও তালিকা সরবরাহ করা হবে। তালিকা নিয়ে গোপনীয়তার কিছু নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তালিকায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড ছাড়াও আমিন, ভেনাস ও শারমিন জুয়েলার্সের মতো প্রতিষ্ঠানের নাম আছে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া একমাত্র ব্যাংক হিসেবে রয়েছে বেসরকারি খাতের মধুমতি ব্যাংক।

জানা যায়, দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে বার্ষিক প্রায় ১৫ থেকে ২০ মেট্রিক টন স্বর্ণের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু বৈধ পথে স্বর্ণ আমদানির সুযোগ না থাকায় এর সিংহ ভাগ পূরণ হচ্ছে চোরচালানের মাধ্যমে আসা স্বর্ণ দিয়েই। এতে প্রতি বছর বড় অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। এই প্রেক্ষাপটে গত বছরের অক্টোবরে স্বর্ণ আমদানির নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। ওই নীতিমালার আওতায় স্বর্ণ আমদানির ডিলারশিপের লাইসেন্স দিতে চলতি বছরের ১৯ মার্চ থেকে আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।